তেহট্টর ঘটনায় সিআরপিএফ মহিলা জওয়ানের প্রশংসায় প্রশাসন, মুর্শিদাবাদে দুই ব্যক্তির খোঁজ মিলেছে, খোঁজ নেই বাড়ির কর্মীর

0
43

নির্ভীক কণ্ঠ নিউজ গ্রুপ ::: তেহট্টের যে পাঁচ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে লালগোলা প্যাসেঞ্জারে বাড়ি ফিরেছিলেন তিনি। কাটোয়ার চরকবিরাজপুরের বছর চব্বিশের ওই যুবতী দিল্লিতে সিআরপি জওয়ান হিসাবে কর্মরত। পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তিনি বাড়ি ফিরেছেন। ২০ মার্চ লালগোলা প্যাসেঞ্জারে তেহট্টের ওই পরিবারের সঙ্গে একই কামরায় ফিরেছিলেন তিনি।

শুধু তাই নয়, পাশাপাশি বসে গল্প করার ফাঁকে ন’মাসের শিশুকে কোলেও নিয়েছিলেন। শনিবার ওই শিশু-সহ পরিবারটির পাঁচ জনের আক্রান্ত হওয়ার কথা জানার পরে নিজেই হাসপাতালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবিবার সকালে নদিয়ার শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে যান পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার ওই যুবতী। তবে চিকিত্‍সকেরা জানান, তাঁর করোনার উপসর্গ মেলেনি। তবে তাঁকে কৃষ্ণনগরের কোয়রান্টিন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তেহট্টের পরিবারের সঙ্গে লালগোলা প্যাসেঞ্জারের একই কামরায় ফেরা দুই ব্যক্তির খোঁজ মিলেছে মুর্শিদাবাদে। পুলিশ জানায়, তাঁরা লালগোলার কৃষ্ণপুর ভাটাপাড়া ও কৃষ্ণপুর হাটপাড়ার বাসিন্দা।

শনিবার বিকেলে তাঁদের বাড়ি থেকে লালগোলার কোয়রান্টিন কেন্দ্রে পাঠান পুলিশ-প্রশাসনের কর্তারা। নদিয়ার উপ-মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অসিত দেওয়ান বলেন, ”ওই মহিলা যে ভাবে নিজে এগিয়ে এসেছেন, সেই সচেতনতা সকলেরই দেখানো উচিত। তবেই এই বিপদ থেকে রেহাই মিলবে।” তবে তেহট্টের বার্নিয়া এলাকার করোনা আক্রান্ত ওই পাঁচজনের বাড়িতে কাজ করত পূর্ব বর্ধমানের একজন তার খোঁজ মিলছে না প্রশাসন উদ্বিগ্নতার জন্য

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here